https://esa-letter.comমানবসম্পদ উন্নয়নে শিক্ষার বিকল্প নেই। এ জন্য প্রয়োজন ব্যাপক শিক্ষা কার্যক্রম, শিক্ষার আলোয় আলোকিত সমাজ। এ চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়েই আমরা সালথা, বোয়ালমারী ও ফরিদপুর সদর উপজেলার সংযোগস্থল বিভাগদীতে ‘বিভাগদী শহীদস্মৃতি মহাবিদ্যালয়’ প্রতিষ্ঠা করেছি।
উল্লেখ্য, একাত্তরে মহাবিদ্যালয়টির অদূরে আবদুর রশীদ খানের বাড়ির আঙিনায় মুক্তিযোদ্ধাদের প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছিল, গঠন করা হয়েছিল মুক্তিযোদ্ধা ক্যাম্প বাড়িটির আঙিনায় স্থান সংকুলান না হওয়ায় ক্যাম্পটি নতুবদীয়া হস্থান্তর করা হয়। একাত্তরের ৯ ডিসেম্বর বিভাগদী-নতুবদীয়া ক্যাম্পের অন্যতম কমান্ডার কাজী সালাউদ্দিনের নেতৃত্বে মুক্তিযোদ্ধারা ফরিদপুর সদর উপজেলার করিমপুরে পাকিস্থানি হানাদার বাহিনীর সঙ্গে সাহসী যুদ্ধে অবতীর্ণ হন। এতে কাজী সালাহউদ্দিন নাসিম, মেজবাউদ্দিন নৌফেল, আবদুল ওহাব, সামসুদ্দিন আহমেদ মোল্লা, মঈনউদ্দিন, আবদুল হামিদ ও মজিবুর রহমান শহীদ হন। এই শহীদস্মৃতি জাগরূক রাখতে এবং একাত্তরের ৩০ লাখ শহীদের স্মরণে মহাবিদ্যালয়টির নামকরণ করা হয়েছে।

এ মহাবিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় মাননীয় সংসদ সদস্য সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী, ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক উম্মে সালমা তানজিয়া, সালথা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. ওয়াহিদুজ্জামান, সালথা উপজেলা সাবেক নির্বাহী অফিসার বর্তমানে ফরিদপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মোহাম্মদ মোবাশ্বের হাসান, সালথা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মাকসুদুল ইসলাম, বোয়ালমারী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মাদ জাকির হোসেন, সালথা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আবুল খায়ের, এলাকাবাসী, শিক্ষানুরাগী ব্যক্তিরা যে সহযোগিতা করেছেন তার জন্য কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানাই।
আমরা শিক্ষা কার্যক্রমের পাশাপাশি মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় শিক্ষর্থীদের সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে অঙ্গীকারবদ্ধ

এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে সরকার, মহাবিদ্যালয় সাংগঠনিক কমিটি, নির্বাহী কমিটি, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অবিভাবক, এলাকাবাসী, শিক্ষানুরাগী ব্যক্তিসহ সংশ্লিষ্ট সব মহলের সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করি।

ধন্যবাদসহ
আবু সাঈদ খান
প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি
মহাবিদ্যালয় সাংগঠনিক এবং নির্বাহী কমিটি